ভ্রমণ
কাহিনী
ঝর্নার রানী-খৈয়াছড়া মোঃ ইমন আহমেদ
ঝর্নার রানী-খৈয়াছড়া মোঃ ইমন আহমেদ
আমরা ০৪ (চার) জন মিলে, একটি প্লান
করলাম যে,ঝর্নার রানীকে দেখতে যাব।যেহেতু বর্ষা কাল এবং ঝর্নার পুর্ন যৌবন এই
বর্ষায় দেখা যায়। ব্যাস যেই কথা সেই কাজ, মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন শাকিল (লেখকের অফিস
লিডার), মোঃ ইমন আহমেদ (লেখক), মোঃ আশরাফুল ইসলাম (আপন) (লেখকের বন্ধু) এবং মোঃ
শামিম ওসমান(লেখকের ছোট ভাই)।
বৃহস্পতিবার রাত ১১:৪৫ এর বাস, আমরা মানিক নগর “এনা” বাস কাউন্টার থেকে বাস এ উঠি।
একেবারে সামনের ০৪ (চার )সিট নিয়েছি, কারন বাস যখন একে বেকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যায়
তখনকার ঐ দৃশ্যটা দেখার মত,আমার মত এডভেঞ্চারপ্রেমি হলে সামনের সিট এ বসাই ভালো।
অবস্থান
ও বর্ননাঃ
(Khaiyachora-Waterfalls)বাংলাদেশের
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের (Mirsharai) পাহাড়ে অবস্থিত একটি জলপ্রপাত।
মিরসরাই এর এই নয় স্টেপ এর ঝর্না এক বিস্ময়কর। খৈয়াছড়া
– আকার আকৃতি ও গঠন শৈলির দিক দিয়ে এটা নিঃসন্দেহে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে
বড় ঝর্ণাগুলোর ১টি । এর মোট ৯ টি মুল ধাপ এবং অনেকগুলো বিচ্ছিন্ন ধাপ প্রমান করে
যে এমন আর একটা ঝর্ণাও বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। প্রকৃতির নান্দনিক
তুলিতে আঁকা সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছে দেশের ভ্রমণপিয়াসী মানুষ। অনেকে রাতের
বেলায় চাঁদের আলোয় ঝর্ণার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পাহাড়ের পাদদেশে তাবু
টাঙ্গিয়ে অবস্থান করছেন।
প্রকৃতির
অপরূপ সৃষ্টি সেতুবন্ধন করে, সবুজের চাদরে ঢাকা রূপের আগুন ঝরায়,
যেখানে
প্রকৃতি খেলা করে আপন মনে, ঝুম ঝুম শব্দে বয়ে চলা ঝর্ণাধারায় গা
ভিজিয়ে মানুষ যান্ত্রিক জীবনের অবসাদ থেকে নিজেকে ধুয়ে সজীব করে তুলছে খৈয়াছরা
ঝর্ণায়। তাই ‘খৈয়াছড়া’ কে বলা হয় বাংলাদেশের ‘ঝর্ণা রাণী‘।
গ্রামের
সবুজ শ্যামল আঁকা বাঁকা মেঠো পথ পেরিয়ে শরীরটা একটু হলেও ভিজিয়ে নেয়া যায়
নিঃসন্দেহে। মিরসরাইয়ের এই খৈয়াছড়ায় নয় স্তরের ঝর্ণা দেখতে দেশি বিদেশি পর্যটকের
ভিড় পড়েছে।

Comments
Post a Comment